উত্তরদিনাজপুর

কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষ, ঘটনায় উত্তেজনা উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া এলাকায়

নির্বাচনের মুখে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়াল উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার লক্ষ্মীপুর এলাকায়। ঘটনায় আহত হন দুই তৃণমূল কর্মী। বোমা ও গুলির আঘাতে আহত দুই তৃণমূল কর্মীকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে সেখানে তারা চিকিৎসাধীন। শুধু তাই নয় এই সংঘর্ষ চলাকালীন এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলো পরিস্থিতি। দাশপাড়া এলাকার বাসিন্দা সংঘর্ষ চলাকালীন পালাতে গেলে মৃত্যু হয় বৈশাখু কর্মকার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির। বোমা, গুলির আতঙ্কে তার মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ছুটে আসে। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযোগ তৃনমূল কর্মীরা যখন চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানের বাড়ি যাচ্ছিল সেই সময় তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্য করে গুলি, বোমা ছোড়ে কংগ্রেস বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আহত হয় দুই তৃণমূল কর্মী। বোমা ও গুলির আঘাতে আহত দুই তৃণমূল কর্মীকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে তারা চিকিৎসাধীন। জানা গেছে, ছড়রা বন্দুকের গুলিতে আহত হন ওই দুই তৃণমূল কর্মী। বোমা ছুড়ে মারার অভিযোগও উঠেছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয় ওই এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চোপড়া থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। একটি বোমা ও বেশ কয়েকটি মোটর বাইক আটক করেছে পুলিশ। 

        তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা জাকির আবেদিন অভিযোগ করে বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাধারন মানুষের আর্শিবাদ কংগ্রেসের কাছে নেই তাই তারা সন্ত্রাস সৃষ্টি করে পঞ্চায়েত দখল করতে চাইছে বলে তিনি দাবী করেন।

        যদিও এই ঘটনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে এই বিষয়ে কংগ্রেস তরফ থেকে জানান এই সংর্ঘষের পিছনে কংগ্রেসের কোন হাত নেই। তাদের নিজেদের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বকে লুকানোর জন্য কংগ্রেসের দিকে অভিযোগ করছে তৃণমূল। শুধু তাই নয় এমন করে বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েত বিরোধীদের ভয় দেখিয়ে বিরোধী শুন্য করে দখল করেছে তৃণমূল। বেশ কিছু এলাকায় কংগ্রেস কর্মীদের অপহরণ করার পাশাপাশি তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করার চাপ দিচ্ছে তৃণমূলের দুষ্কৃতিরা বলে দাবী করেন তিনি।